Showing posts with label series. Show all posts
Showing posts with label series. Show all posts

Saturday, March 18, 2017

Films, Anyone Should Watch Before Filmmaking

Films From 1995-2005 That Will Help You Understand The First Part of Film making- THE STORY.

   Cinema has its perks to take control of our emotion.Today's filmmakers constantly trying to provoke our thoughts and intelligence during a film. Cinema is not just a source of infinite entertainment, its a infinite source of knowledge also. Great filmmakers inspires us to be like them. We often feel so much power in a single movie that it changes our life's purpose. To me the number of this kinda films are huge. I will try to give a subtle list of films which will include the various aspects of film making

1. Oldboy (2003)
 

Oldboy is a highly acclaimed and critically acknowledged Korean movie directecd by Park Chan-wook. This is a mystery/crime thriller inspired by Japanese Manga. Oldboy follows a revenge story in a very brutal, sexual and raw manner. The story is not for all, cause its kinda disturbing to some people's eyes. But a filmmaker should watch this film many time during self preparation, because oldboy teach us the perfect use of melodramatic acting and method acting. And lensing is a big factor to tell a story. In which scene which character will stand where and the main thing which lens should you use to deliver a proper dialogue or action? Oldboy will give you your answers promptly.

2Amélie (2001)

 

This is a french film directed by eminent director Jean-Pierre Jeunet . This film is very simple but very much thought provoking. This state of the art romantic comedy tells a beautiful story of a beautiful girl in a very sweet and delicious way. Cinematography and story telling gave this piece a boost to flourish the cinematic moments.The perfect balance of jump cut and match cut flows like water in a river. An aspiring Filmmaker can gain knowledge of how to tell a story by watching this film. You should learn widely about color toning, color harmony, contrast, plot, sub-plot, cinematography, BGM and editing from this masterpiece. 

3. The Color of Paradise (1999)
 

An flawless saga of a blind boy. Persian in language, directed by honorable filmmaker of Iran, Majid Majidi. The context of this film is the simplest of all. A very natural Drama/Family plot lines. This film is highly acclaimed for its smart way to tell the story. In fact the feeling is like you know what is going on or what will go on in the next scene, but you cant unseen what you see. This film is a must watch for the use of light while giving a dialogue or how environmental ambiance can help to tell the simplest story of all.

4Life Is Beautiful (La Vita è bella) (1997)
 

This epic masterpiece acted and directed by famous Italian, Roberto Benigni. And he got oscars for both after this film. Which is totally dignified. This Drama film contains a large number of social messages and the true sufferings of Jewish people during the world war. But despite of the main concept this film is a dramatic comedy with a lots and lots and lots of humor and feel good moments. This film teaches us that its not necessary to tell a serious story in a serious manner. We can entertain our audience and educate them simultaneously. Sometime Smiling out of a problem is the best. If you want to learn how to tell your story simply and beautifully, this is the film you must watch.


5. The White Balloon (1995)
 

A Drama Film directed by Jafar Panahi, an Iranian rebel filmmaker. Along with Abbas Kiarostami, who wrote the screenplay. This Film is purely based on Iranian culture and human behavior. For this most of they called it a behavioral text. This Film can be a big help in Screenwriting, plot mapping, sub-plot hunting and many more. 


Sit down and watch this 5 film back to back, i give you my word that you will feel the hangover of it days after days. And fundamentally it will help you understanding the 1st part of filmmaking, which is THE STORY. 

These five are generated by my personal interest only. Time period is 1995 to 2005. The middle age of our generation.   

Friday, March 17, 2017

তপ্ত ছাগল - কথোপকথন ৪


আগেরদিন বেচারা ঠিক মনের মতো করে কথা বলতে পারেনি মেয়েটার সাথে। ওর নিজের ছাগলতা ছেড়ে ও মানবতার দিকে পিছলে যাচ্ছিলো বারবার, ব্যাপারটা ঠিক জমেনি। সেই দুঃখ নিয়ে আমাদের ছাগলভায়া আজ পথে নেমেছে কিছু কাঁচা খিস্তির আসায়। বেশিদূর যেতেও হয়নি। কিছুদূর এগিয়েই রাস্তার মোড়ে গাছের তলায় একটা রিকশাওয়ালা মনের সুখে ছিলিম ফাটাচ্ছিলো।

ছাগল - যাবে নাকি?
রিকশাওয়ালা - হাঁ বাবু। ... সারেন ইটা কি মাল দিলো গো।
ছাগল - তুমিও সারেন এর মাল টানো ?
রিকশাওয়ালা - পেত্নী ধরসে গো আমায়। নিশি ডাকলো গো। খেয়ে নিলো গো।
ছাগল - আমরা বোধহয় শুধুই পাতা খাই। তোমরাই বোধহয় আমাদের কেটে খাও।
রিকশাওয়ালা - নাঃ ভরদুপুরে নিশির ডাক ভালো নয়।
ছাগল - আরে ধুর বানচোদ, কিছু ক্ষতি করার হলে কি এতক্ষনে করার সুযোগ ছিলোনা?
রিকশাওয়ালা - খাইছে গো মা। ছাগলে খিস্তিও মারে মাগো!
ছাগল - এইতো এতক্ষনে নিশি থেকে ছাগলে নামলো, যাক!
রিকশাওয়ালা - কেউ বিশ্বাস করবেনা আমার কথা। মাথা খুটে মরে গেলেও না। আর আমি সারেন এর মাল টানবোনা। কিসব মেশায় এখন ভগবান জানে। মাগো আমায় বাঁচাও।
ছাগল - এতো আচ্ছা গেঁজেল। কিছুতেই মানবেনা। এইযে ভায়া একটু মাথা ঠান্ডা করে শোনো আমার কথাটা।
রিকশাওয়ালা - কি কথা শুনবো? একটা ছাগলের কথা কেউ শোনে?
ছাগল - অনেকেই তো শুনছে, তোমার শুনতে আপত্তি কোথায়?
রিকশাওয়ালা - ভালো! শোনাও তালে।
ছাগল - আগে বলো নদীর ধার যাবে কিনা?
রিকশাওয়ালা - পয়সা দিলে কেন যাবোনা?
ছাগল - আচ্ছা সে দেবখন। এবার চলো।
রিকশাওয়ালা - ২০ টাকা লাগবে কিন্তু।
ছাগল - ২০ টাকা??? এত্ত?
রিকশাওয়ালা - নাহলে টোটোতে যান।
ছাগল - সে নাহয় যাবো টোটোতে আরেকদিন, আজ তুমিই নাহয় চলো।
রিকশাওয়ালা - চলো।
ছাগল - এই বোকাচোদা গ্যাঁজাল, রিক্সাটা কি আপনাআপনি চলবে নাকি? চালাবেটা কে?
রিকশাওয়ালা - এই দেখেছো ভুলেই গিছলাম, রিকশাতে তো হাওয়াই নাই। চেনটাওতো গেছে। আপনি অন্য রিকশা দেখে নেন।
ছাগল - তুমি কি সকাল থেকেই এখানে বসে ছিলিম ফাটাচ্ছ?
রিকশাওয়ালা - হে হে ওই আর কি!
ছাগল - বাহ্! আমারও দিন বেকার যেতে পারে তার মানে। ভালো। এইযে রিকশা শুনছো, তুমি না গাঁড় মারাও বুঝলে। তোমরা পাল্টাবেনা। একই গাঁড়মারানী থাকবে। ধুর!
রিকশাওয়ালা - বাঁচলাম মাগো! দুগ্গা দুগ্গা! কি শয়তান নিশিরে বাবা, খুব জোর বেচেছি। আর সারেন এর মাল নয়।

সাইক্লোন ২


সময়ের অবসন্ন সিঁড়িতে বসে
আমার মন আজ কুলি চায়।
মেশিনের ভিড়ে আমি একলা বসে-
সবাই ধাক্কা মারছে, গালি দিচ্ছে, খুবলে নিচ্ছে, ফেলে দিচ্ছে।
আমার একটি লাল গোলাপ।
Add life to days, no days to life.
তাও আমার চিতা আমায় ডাকছে-
কাঁদছে জোরে জোরে, চিল্লাছে, পুরো শরীর ছেড়ে দিয়ে
বিসন্ন দৃষ্টিতে আমায় খুঁজছে।
আমি আড়ালে পালিয়ে বেড়াচ্ছি।
কেউ আমায় আশ্রয় দিচ্ছেনা।
কেননা আমার শরীর বিকৃত,
আমার স্বর চিৎকৃত, কেননা
আজ সাইক্লোন।

বিদ্যাসাগরের সভ্য অসভ্যের সীমানা পেরিয়ে,
দুদেশের no man's land - এ আজ দাঁড়িয়ে
আমি চাষ করছি গোলাপ ফুলের।
সভ্যতা আমি মানিনা।
জানিনা কিসে কি হয়।
তবুও আমি ভালোবাসি তোমায়।
মন থেকে, না গোপনাঙ্গের সাড়ায় না,
লাল গোলাপের ইশারায়।
তাই আমি আজ একা।
কারণ, আজ সাইক্লোন। 

Thursday, March 16, 2017

সাইক্লোন


কালো রাস্তায় মেঘ জমেছে,
ধোঁয়া উঠে যাচ্ছে উপরে আমার রক্ত দিয়ে-
তার নিচে একা এক ফোয়ারা,
জ্বলন্ত লাভার আগুনে ফুল ফুটছে-
তোমার চোখ আমার স্বাদেন্দ্রিয়কে জাগ্রত করছে-
এটা কি হচ্ছে?
আমি কি পাগল হলেম?
ধোঁয়ায় কি আজ আমার জীবন কুয়াশাছন্ন?
জীবনের লালা গড়িয়ে পড়ছে
গোপনাঙ্গ দিয়ে।
আমি মুছে যাচ্ছি অনবরত,
বইয়ের পাতায় পড়লো সেই লার্ভা-
কালো অক্ষরগুলো হলো নীল ;
আমার ক্ষুধাতুর বাসনায়,
জেগে থাকা কামনায়,
আজ সাইক্লোন।

কীসের এত মোহ, কীসের এত পরিক্রমা?
সাইকেলের চাকায় হাওয়া দিয়ে যায় আমার মানিব্যাগ ;
তার নীচে উত্তঙ্গ হিমালয় পর্বতমালা,
তাতে জেগে উঠেছে কাঞ্চনজঙ্ঘা-
এভারেস্ট কে ছোঁয়ার আশায়।
কিন্তু মারিয়ানা খাতের স্বর্গ থেকে
আজ ধোঁয়া উঠছে-
হচ্ছে সুনামি, হচ্ছে ভূমিকম্প,
নেমেছে ধস, পড়ছে রস, পড়ছে লালা, পড়ছে শিশু।
আজ জীবনের শেষতম নির্বাসনে
আমার মুখের ভাষা বিলম্বিত।
তাই আজ সাইক্লোন।

Tuesday, March 7, 2017

তপ্ত ছাগল - কথোপকথন ৩


অনেক্ষন ধরে পিছু নিয়েছে মেয়েটার। খুব হালকা ডার্ক থিওরির গন্ধ পাচ্ছে ছাগলভায়া। মেয়েটা প্রথমে একটা ওষুধ এর দোকান থেকে কিছু একটা কিনলো, ছাগল তখন উল্টোদিকে নাদি ছড়াচ্ছিল। মেয়েটা তারপর হাটতে হাটতে একটা দোকানে ঢুকে একটা জলের বোতল কিনলো, ছাগল তখন উল্টোদিকে মাথা চুলকোনোর নামে একটা ল্যাম্পোস্ট গোঁতাছিলো। তারপর মেয়েটা একটা ছোট পার্ক এর মতো জায়গার একটা বেঞ্চ এ বসে বোতলটা সবে খুলেছে -

ছাগল - বাহাত্তর?
মেয়েটা - হোয়াট দা ফাক! কি হয়েছে আমার! ছাগলের ব্যা ব্যা কে বাহাত্তর শুনছি।
ছাগল - আমি বাহাত্তরই বললাম, আনওয়ান্টেড ৭২ না আই পিল?
মেয়েটা - আচ্ছা ঠিক আছে চলো মেনে নিলাম একটা ছাগল কথা বলছে। আমার কোনো আপত্তি নেই. বাট একটু প্রিমিটিভ কথা শুনলে শকটা কম লাগতো এই আর কি! এতটা স্যাভেজ নিতে পারলাম না সরি।
ছাগল - সার্কাস্টিক রিপ্লাই! এটা ফার্স্ট। যাইহোক সবকিছুরই একটা প্রথম থাকে বলে শুনেছিলাম একযুগে কিছু একটা।
মেয়েটা - একটাই প্রব্লেম।
ছাগল - কি?
মেয়েটা - আমার সহজাত প্রতিবর্ত ক্রিয়া অনুযায়ী সবই নরমাল আছে, শুধু একস্ট মানে সম্বোধন করবো কিভাবে সেটাই গুলিয়ে যাচ্ছে। যারা 'ইট' ক্যাটাগরিতে পরে তাদের কী বলে ডাকতে হয় আমি জানিনা।
ছাগল - 'তুমিটাই' ভালো গো, অন্যগুলো কানে সইবে না।
মেয়েটা - হ্যা তোমার কানদুটোতো একটু বড় আবার।
ছাগল - ব্যা ব্যা! আমার প্রশ্নের উত্তরটা?
মেয়েটা - স্যারিডন। বললামনা এতটা স্যাভেজ নিতে পারলাম না।
ছাগল - সরি, আমি ভাবলাম হয়তো বয়ফ্রেন্ড কন্ট্রোল করতে পারেনি।
মেয়েটা - কন্ট্রোল? কোনোদিন তো কন্ট্রোল হারাক। কোনোদিন! প্লিজ!
ছাগল - সরি, আমি ভুল জোনে ঢুকে পড়েছি। বাঁড়া ছেলেগুলো একই থেকে গেলো সেইযুগ থেকে, মেয়েগুলোর কি উন্নতি লেওড়া।
মেয়েটা - তুমি কি ২২ শে শ্রাবনের প্রসেনজিৎ থেকে ইন্সপিরিত?
ছাগল - খানিকটা, শুধু লুক্সটা বাদ দিয়ে।
মেয়েটা - হে হে ! সেটা অবশ্য ঠিক, বাট হোয়াট ইস ইওর পারপাস অন দিস প্ল্যানেট?
ছাগল - অবসার্ভ। মেমোরাইজ। রিপোর্ট।
মেয়েটা - হুম! কোনো গভীর ব্যাপার আছে এর মধ্যে মনে হচ্ছে!
ছাগল -আচ্ছা তুমি কি গ্যাজা টানো?
মেয়েটা - এটাকি আমার মুখে লেখা আছে নাকি?
ছাগল - না জাস্ট এমনি।
মেয়েটা - হ্যা টানি, বাট ওনলি রাতে। তোমারো চলে নাকি?
ছাগল - হুম! ওই আর কী!
মেয়েটা - আমি এবার যাবো। থ্যাংক্স টু ইউ এন্ড স্যারিডন।
ছাগল - অবশ্যই! একটা লাস্ট কোয়েস্টেন।
মেয়েটা - কি?
ছাগল - একটা ঘোড়া আর ছাগলের মধ্যে কি ততটাই পার্থক্য যতটা একটা ছেলে আর একটা মেয়ের মধ্যে?
মেয়েটা - হোয়াট?
ছাগল - নেক্সটদিন দেখা হলে উত্তরটা দিও।
মেয়েটা - খুবই দুর্বোধ্য রেফারেন্স, শিট! কিন্তু আমি ড্যানিয়েল রেডক্লিফের ভালোমতো একটা ফ্যান। ইকুয়াস আমিও দেখেছি। গুড ওয়ান। ফাক ম্যান! কি মারাত্মক একটা ছাগল রে বাবা।
ছাগল - উত্তরটা?
মেয়েটা - নেক্সটদিন, বললাম তো। বাই।


তপ্ত ছাগল - কথোপকথন ৪ - https://fibstar.blogspot.in/2017/03/blog-post_61.html 

Thursday, March 2, 2017

তপ্ত ছাগল - কথোপকথন ২


সেই ছাগলটি আগে এরকম ভাবেই ঘুরে বেড়াতো। আপনমনে এরকমই খিস্তিখেউড় করে বেড়াতো। কিন্তু প্রবলেমটা ছিল যে কেউ বুঝতোনা ওসব কথা। কারণ???
কারণ আর কিছুই না, আগে যারা গ্যাঁজা টানতো প্রথমত তারা বেশিরভাগই অশিক্ষিত ছিল আর দ্বিতীয়ত তারা সংখ্যায় খুবই কম ছিল। তাই ছাগলভায়া আজকাল কথা বেশি বলে কারণ তার ব্যা ব্যা বেশিরভাগ লোকের কানেই বাল বানচোদ হয়ে ঢোকে। লাঞ্চটাইম এ কি মনে করে ছাগলটি গিয়ে উপস্থিত হলো ডালহৌসি অফিসপাড়ায়। গলায় আইকার্ড ঝোলানো, ফর্মাল জামাপ্যান্ট পরিহিত একজন রিফার টানছিলো আপনমনে। ছাগল কি মনে করে দিলো তাকে এক ঢুঁসো পেছন থেকে। ধরা যাক ছেলেটার নাম প্রেসার -

ছাগল - শালা ! পেছনটা দ্যাখো কেউ এসে ; এ বালটা অফিসে কি দুটো চেয়ার দেয় তোকে বসতে?
প্রেসার - হোয়াট? আই মিন এটা কি ধরনের অসভ্যতা?
ছাগল - ভাই আমার বাবা আমায় কোনোদিনও শেখায়নি যে মোটাকে মোটা বলিসনি, কানা কে কানা বলিসনি, লেওড়া কে লেওড়া বলিসনি।
প্রেসার - তুমি আমায় মোটা বললে?
ছাগল - আমি তোকে তিনটেই বললাম হোঁদল। মোটা তো তুই অবশ্যই। কানা যে আছিস সেটা আমায় ধাক্কা মারার টাইম এই বুঝেছিলাম। আর লেওড়াটা তুই নিজেই প্রমান করে দিলি।
প্রেসার - আমি তোমায় ধাক্কা মেরেছি? লায়ার লায়ার প্যান্টস অন ফায়ার !
ছাগল - নে বাঁড়া লাগা আগুন আমার প্যান্টে। লেওড়া! তোর কি ব্লোজব লগ্নে জন্ম নাকিরে?
প্রেসার - ধুর! এরম বোলোনাতো, একে চাপে আমার হালুয়া টাইট হয়ে যাচ্ছে আর তুমি কিসব বলছো।
ছাগল - আরে পাগলাচোদা! নারে আমারি ভুল, তোর পিরিয়ড লগ্নে জন্ম।
প্রেসার - তুমি কি এরমই চালাবে? তাহলে আমি গেলাম, লাঞ্চ আওয়ার শেষ, আমার রিফার ও শেষ।
ছাগল - আরে ভাই রাগ করিসনা, সব খিস্তি আমি মন থেকে দিইনা। কিছু কিছু জাস্ট ফর এন্টারটেইনমেন্ট পারপাস। বল তোর এত চাপ কেন?
প্রেসার - আরে ধুর! আর চাপ! দ্যাখো আমি একদমই সাধারণ স্টুডেন্ট ছিলাম।
ছাগল - এখন ও আছিস। ... আচ্ছা সরি প্লিজ ক্যারি অন।
প্রেসার - হাঁ তো কোনোরকম এ গ্রাজুয়েট হয়ে এই ৮০০০ টাকার চাকরিটা করছি। তাও কতদিন টিকে থাকবো কোনো গ্যারান্টি নেই। আমাদের মতো স্টুডেন্টদের জন্যই তো প্রাইমারি আর হাইস্কুল এর চাকরিগুলো ছিল তাইতো?
ছাগল - বলে যা, থামিসনা। যা ইমোশন আছে বের করে দে।
প্রেসার - আর ইমোশন ! হুঁহ! নাচ গানটাও বাবা শেখায়নি যে ওগুলো করেও কিছু একটা হয়ে যাবে। পড়াশোনা ছাড়া কিচ্ছু জানিনা। লিটারালি ! আরে বিড়ি সিগারেট এর দোকান দিতেও আত্মসম্মান এ লাগবে। তাহলে করবটা কি বলো? ৮০০০ টাকায় কতদিন চালাবো?
ছাগল - ভাই আমার, এত বুঝে গেলে আমি আর ছাগল হলাম কেন বল? কিন্তু একটা ব্যাপার পরিষ্কার হলো আজ আমার কাছে।
প্রেসার - কি?
ছাগল - তোদের জেনারেশনটার না সিরিয়াসলি গাঁড় মারা গেছে। তোরা হোলি মিডল চাইল্ড অফ রেভোল্যুশন। না আছে পাস্ট এর এক্সপেরিয়েন্স আর না আছে ফিউচার এর কমিটমেন্ট। শালা! তোরা গ্যাঁজা টানবিনাতো কারা টানবে?
প্রেসার - এই শোনোনা তুমিতো খুব জ্ঞানী ছাগল বলে মনে হচ্ছে, প্লিজ একটা উপায় বলোনা। প্লিজ!
ছাগল - ব্যা ব্যা ব্যা!
প্রেসার - এই কোথায় যাচ্ছ? এই ছাগল। দাড়াও, বলে যাও কিছু একটা।
ছাগল - মিডল চাইল্ড, মিডল চাইল্ড ব্রো! রেডি টু বি ডিপ্রাইভড ওয়ানস এগেইন।


তপ্ত ছাগল - কথোপকথন ৩ - https://fibstar.blogspot.in/2017/03/blog-post_0.html

Tuesday, February 21, 2017

তপ্ত ছাগল - কথোপকথন ১


গাঁজা টেনে দুই গাঁজারু গ্যাঁজলামো করছে। অতি সাধারণ এক ঘটনা। আজকাল একটু বেশিই হচ্ছে বিষয়টা কিন্তু তাও আচ্ছা, গরু ভেড়া তো আর খাচ্ছেনা। নিরামিষ জিনিসই তো টানছে।
ধরি একজনের নাম ডিগ্রী আর আরেকজন ফারেনহাইট। বিকেলের গেরুয়া আলোতে মাঠের ধার দিয়ে দুজনে যাচ্ছিলো মোবাইল এ রং দে তু মোহে গেরুয়া শুনতে শুনতে। সামনে একটা ছাগল এসে ওদের দাঁড় করালো।

ছাগল - গাঁড়মারানিগুলো কতটা টেনেছিস?
ডিগ্রী - ব্যা ব্যা !
ছাগল - ন্যাকামো হচ্ছে? আমায় ভেংচে কি লাভ?
ফারেনহাইট - ব্যা ব্যা ব্ল্যাক শীপ, ঘুরে ঘুরে খায়-
ছাগল - খানকির ছেলে অশিক্ষিত, আমি গোট, শীপ নোই। ভেংচাবিই যদি অন্তত শিক্ষিতের মতো ভেংচা।
ডিগ্রী - আমরা তো ছাগল খেতে খুব ভালোবাসি, তোমায় যদি কেটে খাই? তোমার ভয় করেনা আমাদের দেখে?
ছাগল - সত্যি কথা বলবো বাঁড়া? তোদের থেকে বেশি ভয় আমার ঘাস খেতে লাগে, অন্য ছাগলের বাচ্চা এসে যদি খেয়ে নেয়। লেওড়া ভয় কাকে বলে জানিস?
ফারেনহাইট - কনজুরিং টু দেখে আমার হেব্বি ভয় লেগেছিলো। এখনও নান ভালাক আমার চোখে ভাসছে।
ডিগ্রী - তুই কে বে? সিনেমা দেখে ভয় পাস? না আমি জানিনা ভয় কাকে বলে!
ছাগল - গরম লোহার শিক যখন পোঁদে ঢোকাবে শিকাগোবাসী তখন বুঝবি বাঁড়া ভয় কাকে বলে।
ফারেনহাইট - এত ফ্রাস্ট্রেটেড হয়ে আছো কেন বলোতো? পিটা কি উঠে গেলো নাকি?
ডিগ্রী - তুমি কি পিতাহারা হয়ে গেলে? হা হা হা !
ছাগল - এই হচ্ছে সমস্যা। গ্যাঁজাখোর ছাড়া আমার কথা কেউ বোঝেনা আর আমার শালা গ্যাঁজা সহ্য হয়না।
ফারেনহাইট - তুমি একদিন সব ভুলে একটু চিবিয়ে নাও দেখবে সব ভুলে গেছো।
ছাগল - এক্সাক্টলি ওটাই আমার সমস্যা ! ঐজন্যেই খাবোনা।
ডিগ্রী - আমার বন্ধুর একটা গোল্ডেন রিট্রিভার আছে। তার গল্প তোমায় বলেছি?
ছাগল - সেও কি বাল তোদের মতোই গ্যাঁজাখোর?
ফারেনহাইট - না সে আরো বড়। গ্যাঁজলামোর জগতে সে এক উজ্জ্বল জ্যোতিস্ক ! আমরা তো ছোটোখাটো উল্কা মাত্র।
ছাগল - না এত বড় জ্যোতিস্ক আমার কর্ণগোচর হয়নি কখনো।
ডিগ্রী - সেই মালটা ছাদে গিয়ে গ্যাঁজা টানতো লুকিয়ে লুকিয়ে। ছেলে সারাদিন একা একা বাড়িতে থাকে সেইজন্য ওর বাবা একদিন একটা গোল্ডেন রিট্রিভার কিনে এনেছিল। সেই কুকুর সারাদিন ওর সাথে লেপ্টে থাকতো।
ছাগল - তারপর?
ফারেনহাইট - একদিন কি মনে করে ও একটু গ্যাঁজা কুকুরটাকে শুঁকতে দিলো।
ডিগ্রী - কুকুরটা কি মনে করে চোখের নিমেষে সবটুকু চেটে ঢোঁক গিলে নিলো।
ছাগল - তারপর???
ডিগ্রী - তারপর আর কি! এখন ছাদে ও গ্যাঁজা টানে আর রিট্রিভারটি অল্প একটু গ্যাঁজা চেটে সিঁড়িতে গিয়ে বসে থাকে। ওর বাবা বা মা কেউ ছাদে এলে ভৌ ভৌ করে। ব্যাস!
ছাগল - ছেনালি হচ্ছে লেওড়া! বিচি কেটে বাবার গলায় মালা করে ঝুলিয়ে দেব। যা খুশি তাই বলে যাবে বানচোদ! আমি কি ছাগল নাকি?
ফারেনহাইট - তো তুমি কি নিজেকে টোনি স্টার্ক মনে কারো নাকি?
ডিগ্রী - এই শোনো ! একদিন সিরিয়াসলি তোমায় কেটে খেয়ে নেবো কিন্তু।
ছাগল - ব্যা ব্যা ব্যা।
ডিগ্রী - ঢ্যামনা ছাগল শালা ! ভাগ এখান থেকে।



তপ্ত ছাগল - কথোপকথন 2 - https://fibstar.blogspot.in/2017/03/blog-post.html

Saturday, February 18, 2017

THE HEADLINE STALKER - PART 1

-"মোঘল সাম্রাজ্যের পতনের পর আর কটা পতন দেখার দরকার আছে?"
অতিউৎসাহে কাগজটা প্রায় ছিড়েই যাচ্ছিলো আর একটু হলে। কাল একটা দামি দার্জিলিং এর চা কিনে এনেছে। দোকানিটা বলছিলো, জাপানি চা আর দার্জিলিং এর চা মিশিয়ে এটা নাকি হাইব্রিড চা। রাতে শোয়ার আগে এটাই মাথায় ঘুরছিলো যে কখন সকাল হবে আর কখন হাইব্রিড চা খাবে। খবরের কাগজটা পুরো ঝাঁট জ্বালিয়ে দিলো।
 মাথা ঠান্ডা করে গৌরব ভেবে দেখলো যে নাহ চা এর দিকে মন দেওয়া উচিত, ওটা প্রাইমারি।
-"বিকেলে ফেরার সময়ে গোটা গরম মশলা আর অল্প হলুদ নিয়ে এস" - গৌরব এর প্রশ্নের উত্তর না দিয়ে পাল্টা দিলো গৌরব এর বৌ।
-"আমার কোয়েশ্চেন এর উত্তর কিন্তু এটা নয়" - ব্যারিটোন ভয়েস এর ওপর ভর করে চা এ প্রথম চুমুক টা দিয়েই দিলো।
-"নাহ ঠকিনি তাহলে, আঃ কি শান্তি!"
দীপান্বিতা রান্নাঘর থেকে নাটক টা দেখছে পুরোটাই। মজাই লাগে ওর গৌরব এই ছোট বড় সব জিনিস কে সমান নজরে দেখাটা। মনে মনে ভাবে যে মানুষের কাছে চা এর টেস্ট এর কম্পিটিটর সাম্রাজ্যের পতন, সে মানুষ আর যাই হোক না কেন কারোর ক্ষতি করতে পারবেনা কখনো। যে মানুষটা এত ছোট বিষয়ে মজা পায় সে আর যাই হোক অসুখী নয়। প্রেম করার সময়ে এত ভেবে দেখেনি দীপান্বিতা, কিন্তু এখন সময় যত এগোচ্ছে ও গৌরব এর গভীরে ঢুকছে, আর যত ও গভীরে ঢুকছে তত গৌরব এর সব চালচলন, বিহেভিয়ার, ইন্সটিঙ্কট এসব এর লজিকটা ধরতে পারছে।
খুব কমপ্লেক্স মাইন্ড নয় গৌরব এর। খুব একটা ইউনিক ও নয়। আর পাঁচটা সাধারণ মধ্যবিত্ত বাঙালিদের মতোই ভাবে গৌরব, অন্তত দীপান্বিতার তো এটাই মনে হয়। তাই আজকাল গৌরব কে একটু বেশিই এনজয় করে ও। চাটা শেষ করে আবার কাগজে মন দিয়েছে ছেলেটা।
-"একটা পেন দাওতো, কালকেই তো রেখেছিলাম এখানে"। পেনটা হাতে ধরিয়ে ফাঁকা কাপ টা বেসিন এ রেখে দিলো দীপান্বিতা।
-"আমার রাতে ফিরতে লেট হবে, যেগুলো আনতে বললাম এনে রেখো প্লিজ, নয়তো রাতে মাসি আসলে তোমাকেই কিন্তু আমি পাঠাবো আবার"। কোনো রিপ্লাই না পেয়ে গৌরব এর কাছে গেলো দীপান্বিতা আরেকবার বলার জন্য।
গৌরব অন্যমনস্ক ছিল, কি একটা লিখছিলো ও খবরের কাগজে। দীপান্বিতা পেছন থেকে হাত রাখতে গেলো গৌরব এর কাঁধে। ওর চোখটা চলে গেলো খবরের কাগজের পাতায় একটা হেডলাইন এর ওপর।
গৌরব একমনে হাতে পেন নিয়ে খবর টা কারেকশন করছে। একটা লাইন এ লেখা ছিল 'ঘরের বাঁ দিকের জানলা দিয়ে' , গৌরব 'বাঁ' কেটে 'ডান' লিখলো। এরম টুকরো টুকরো আরো কিছু কারেকশন।
হাতটা আটকে গেলো দীপান্বিতার। এই হাইলি সাস্পিসিয়াস বিহেভিয়ার এর সুনির্দিষ্ট কোনো লজিক আসলোনা ওর মাথায়। আবার ভাবলো পাগলের পাগলামি হয়তোবা। ছেলেটাকে ছেড়ে দিয়ে নিজের রেডি হওয়ার দিকে মন দিলো দীপান্বিতা। রাতে ফিরে এসে বিষয় টা নিয়ে সময় নষ্ট করাই ভালো।
-"আমার কোয়েশ্চেন এর উত্তর কিন্তু এখন ও পেলাম না"- হাতে পেনটা নিয়ে আঙুলের ফাঁকে রেখে পেছন ফিরে তাকালো গৌরব।
-"আমি জানি না, জানতেও চাই না" - তোয়ালে টা নিয়ে বাথরুম এ ঢুকলো দীপান্বিতা। হালকা হেসে পেন আর পেপার টা রেখে উঠে একটা বিকট আওয়াজ করে আড়মোড়া ভাঙলো গৌরব। সকালের রোদের আলোতে খবরের কাগজের খবরটা নিজে থেকেই যেন উপস্থিতি জানান দিছিলো।
""মাঝরাতে নিজের বাড়িতে অস্বাভাবিক মৃত্যু এক যুবকের""