Showing posts with label geek talk. Show all posts
Showing posts with label geek talk. Show all posts

Wednesday, April 22, 2020

I wanna be the Lobster

ইয়োর্গোস ল্যান্থীমোস। যেমন নাম তেমন কাম। আপনাদের কখনো কোনো সিনেমা দেখে এরম মনে হয়েছে যে সিনেমাটা না দেখলেই পারতাম। বা কেউ কেন এরম একটা গল্প ভাববে, আর ভাবলেও কোন শুওরের বাচ্চার দিব্বি আছে যে সেটা নিয়ে সিনেমা বানাতেই হবে? প্রথমবার দেখে আমারো তাই মনে হয়েছিল। হয়তো জীবনে জ্ঞান হওয়া থেকে আজ অবধি ২ মাসের বেশি সিঙ্গেল থাকিনি কখনো তাই মর্মার্থটা ধরতে পারিনি সহজে। দ্বিতীয় বার যখন দেখলাম বুঝলাম এবসার্ডিস্ট ডিস্টোপিয়ান ব্ল্যাক কমেডি কাকে বলে। হ্যা আমি আমার মতে পৃথিবীর সেরা এবসার্ড সিনেমা "The Lobster" এর কথা বলছি।

গল্প? সেটা কিছুই না, এই মানুষের সাবকন্সাস এ যে কাজগুলো মানুষ করতে চায় কিন্তু পারেনা সেগুলো নিয়েই। না না লজ্জায় নয়, এই কাজগুলো করার কথা চিন্তা করাও পাপ। যেমন একজন মানুষ মরে গেলে ফিক করে হেসে ফেলা, মোটা কে মোটা বলে টন্ট করা, বাচ্চাদের লাথি মারা, লেংড়া কে দৌড়োতে না পারার জন্য টিটকিরি মারা, কেউ সুইসাইড করতে গেলে তাকে না আটকে তার মৃত্যুকামনা করা - এই সব কাজ আর কি! আমার পার্সোনালি ব্ল্যাক কমেডির প্রতি একটু দুর্বলতা আছে সেটা আমার গায়ের রং কালো বলে হয়তো। যাইহোক গল্প হলো গিয়ে এক সুদূর ভবিষ্যৎ এর যেখানে ১ বছরের বেশি সিঙ্গেল থাকা বেআইনি। থাকলে সরকার তোমায় একটা হোটেল এ পাঠিয়ে দেবে যেখানে ৪৫ দিনের একটা সেরেমনি চলবে এবং তার মধ্যে তোমায় তোমার জীবনসঙ্গী খুঁজে বের করতে হবে অন্য সিঙ্গেলদের মধ্যে থেকে। এবং তার পরেও যদি তুমি সিঙ্গেল থাকো তাহলে তোমায় তোমার পছন্দমতো একটা জানোয়ার এ রূপান্তর করিয়ে প্রকৃতিতে ছেড়ে দেওয়া হবে। তারপর তুমি মরে যাও কি বেঁচে থাকো তাতে সরকারের কিচ্ছু যায় আসেনা। ডেভিড মানে কলিন ফ্যারেল যে চরিত্রটি করেছিলেন সে চেয়েছিলো একটা লবস্টার হতে। কারণ ছিল সিম্পল। লবস্টার দের বেশি খাওয়াদাওয়া করতে হয়না ,তারা অলস হয়, ১০০ বছর বাঁচে, আর তাদের গায়ের রক্ত নীল হয় আর তারা সারাজীবন যৌনতায় সক্ষম থাকে। ডিভোর্স এর পর বেচারা ডিপ্রেশন এ চলে গেছিলো তাই ১ বছর হওয়ার আগেই সে হোটেলে আসার জন্য এপলাই করে, না সঙ্গী পেতে নয়, লবস্টার হতে। সঙ্গী পেয়ে জীবনে আবার ভালোভাবে বেঁচে থাকার ইচ্ছে তার কোনোকালেই ছিলোনা, আর নিজেকে মেরে ফেলার মতো সাহসীও সে ছিলোনা। সে ভেবেছিলো এই হোটেল এই জীবন নিপাত করবে আর তারপর লবস্টার হয়ে সমুদ্রে চলে যাবে, কারণ সে সমুদ্র খুব ভালোবাসে। কিন্তু ভাগ্যের পরিহাস কিছুদিন যেতে না যেতেই সে আবার ভালোবেসে ফেললো একজন কে। কি খুব রোমান্টিক লাগছে তো শুনতে? আমি সিনেমার প্রথম ১০ মিনিট ও বলিনি এখনো। বাকিটা জানতে হলে তো দেখতে হবে। এরপর যা হয়, সব সরকারের যেমন বিরোধী দল থাকে এই হোটেল এরও এক বিরোধী গোষ্ঠী আছে। যা ঝামেলা পাকানোর তারাই করবে এরপর। একটা প্রো টিপ্ দিতে পারি। সিনেমাটা যখন দেখবেন তখন মনে যা আসবে তাই বলবেন বা করবেন। দেখবেন ডিরেকটর কি বলতে চাইছে খুব সহজে বুঝতে পারবেন। মনের ভেতরের জটিলতাটা আটকাবেন না। ভেতরের ডার্ক সাইড কে বেরোতে দেবেন। আটকাবেন না।

আয়ারল্যান্ড, ইংল্যান্ড, গ্রীস, ফ্রান্স আর নেদারল্যান্ড এই ৫টি দেশের সম্মিলিত প্রচেষ্টা ছিল এই সিনেমাটি। শুট হয়েছে ডাবলিনে। খরচ হয়েছিল মাত্র ৪ মিলিয়ন। ব্যবসা করেছে ৫ গুন্ বেশি। পুরস্কার এর কথা নাহয় বাদ দিলাম। দি-ওর, কান্স এর জুরি অ্যাওয়ার্ড, গোল্ডেন গ্লোব সব পেয়ে ফাটিয়ে দিয়েছে। কালার নিয়ে অসাধারণ খেলেছেন ইয়োর্গোস ল্যান্থীমোস। নীল, সবুজ আর লালের বিভিন্ন শেড হচ্ছে প্রাইমারি কালার। গোটা সিনেমায় শুধু এই ৩টে রঙের রাজত্ব। কোনো ডার্ক শেড ছাড়া কিকরে মানুষ এত ডার্ক গল্প বলতে পারে জানিনা বাবা। গোটা সিনেমা দিনের আলোর মতো ঝকঝকে, এমনকি রাতের সিন গুলোও। ডেভিড, রবার্ট, আর জন এই ৩ টে নাম বাদে গোটা সিনেমাতে আর কোনো চরিত্রের নাম পাবেননা। এমন কি টাইটেল কার্ডেও - দা শর্ট সাইটেড ওমেন , দা ম্যান উইথ এ নোসব্লিড এরম করে নাম দেওয়া। ডিরেক্টর এর সোজা বক্তব্য ছিল ওই চরিত্র গুলোর নাম দিয়ে আপনারা কি করবেন? ওগুলো তো চরিত্র, মানুষ নয়। হু হু বাবা! বড় কঠিন কথা খুব সহজে বলে দিলেন। ওগুলো তো চরিত্র মানুষ নয়।

গোটা সিনেমায় কোনো আর্টিফিশিয়াল লাইট এবং মেকআপ ব্যবহার করা হয়নি। শুধু কলিন ফ্যারেল ৩৫ কেজি ওজন বাড়িয়েছিলেন ভুঁড়ি দৃশ্যমান করার জন্য। এবার আসি কলিন ফ্যারেল এর কথায়। এই ভদ্রলোকের প্রতি আমার বিশেষ দুর্বলতা আছে, লোকটা হাগলেও আমি হা করে দেখি। সেই SWAT এর টাইম থেকে। তারপর পুরোনো ডেয়ারডেভিলস এ বুলস আই, তারপর টোটাল রিকল। বাঁজা সিনেমা হলেও এগুলো বারবার দেখি শুধু লোকটাকে দেখবো বলে। এই সিনেমাটাও দেখেছিলাম কলিন ফ্যারেল এর ফিল্মোগ্রাফি শেষ করবো বলে। আমার মতে এই সিনেমায় ভদ্রলোক নিজের জীবনের সেরা অভিনয় করেছেন। শুধু সেরা নয় একইসাথে ভয়ানক ভয়াবহ আর সুররিয়ালিস্টিক অভিনয় করেছেন। সুররিয়াল এক্সপ্রেশন ও যে দেওয়া যায় এই লোকটাকে না দেখলে বিশ্বাস করতাম না। কি অদ্ভুতভাবে আপনাকে একটা অবাস্তব এবসার্ড জিনিস মাথায় ঢুকিয়ে দেবে আপনারই অজান্তে সিরিয়াসলি ধরতে পারবেন না।

এই সিনেমার গভীরতা আমার এই লেখার থেকে আরো অনেক বেশি। মেটাফোরিক্যাল এক্সাম্পল গুলো তো বললামই না। তবে হ্যা যারা এখনো সিঙ্গেল আছে তাদের অবশ্যই এটা দেখা উচিত। না কোনো রোমান্টিক কারণে না, বা সিঙ্গেল থেকে তুমি কতটা ভালো আছো সেটা বোঝার জন্যও না। সম্পূর্ণ আলাদা কারণে। সেই কারণটা বলা যাবেনা। কারণ সেটা সবার আলাদা আলাদা হবে, মিলবেনা। ইয়োর্গোস ল্যান্থীমোস। ভদ্রলোক নাটক এর ডিরেক্টর তাও আবার নাটকের জন্ম সেই গ্রীস দেশের। সিনেমা মাঝেমধ্যে বানান ইচ্ছে হলে কিন্তু নাটকই ডিরেক্ট করেন সবসময়। সিনেমাটা রিলিজ হওয়ার পর সবাই খুব খিস্তি মেরেছিলো। সবার একটাই বক্তব্য ছিল যে আপনি এভাবে মোটা কে মোটা, কালো কে কালো, খারাপ কে খারাপ বলতে পারেননা, আপনার কোনো এথিক্স নেই? দুটো মানুষের যখন তখন নাক দিয়ে রক্ত পরে বলে তাদের কে আপনি কাপল করে দুচতে দিলেন? এটা কি ধরণের অসভ্যতা? উত্তরে ভদ্রলোক একটাই কথা বলেছিলেন - "ফাক অফ! ইউ গাইস আর প্যাথেটিক সেলফিশ হিউমান বিয়িং। ইফ দিস সেন্টেন্স হার্ট ইউ দেন ইউ আর এলিজিবল টু ক্রিটিসাইজ মাই ফিল্ম ইফ নট দেন ইউ আর রিয়েলি আ প্যাথেটিক হিউমান বিয়িং।" কিছু বুঝলেন?

Tuesday, April 7, 2020

Old Enough Oldboy

২০০৩ সালের কানস ফিল্ম ফেস্টিভ্যালের জুরি প্রেসিডেন্ট ছিলেন টারান্টিনো। এই সিনেমাটির স্ক্রীনিং শুরু হয় এবং তারপর শেষ হয়। এমনিই টারান্টিনো একটু বেশি মেলোড্রামাটিক নিজের পার্সোনাল লাইফ এ, তো সিনেমা শেষ হলে ডিরেক্টর পার্ক চ্যাং-উক কে নিয়ে ভদ্রলোক কাঁদতে কাঁদতে বেরিয়ে যান হল থেকে। নিজের হোটেল রুম এ নিয়ে গিয়ে অঝোরে কাঁদতে কাঁদতে পার্ক কে বলেছিলেন - " আমি কি সারাজীবনেও পারবো এরকম একটা সিনেমা বানাতে? " শুয়োরে শুওর চেনে। আনন্দে পার্কও কেঁদে ফেললেন। দুজনে তারপর সারারাত মদ খেয়েছিলেন আর সিনেমা নিয়ে আলোচনা করেছিলেন। ফোনে দুজনের কাউকেই পাওয়া না গিয়ে কানস এর কর্তারা সেদিন ফেস্টিভ্যাল বন্ধ করে দিয়েছিলেন দুই পাগলের ওপর তরস খেয়ে আর পরদিন সিনেমাটিকে গ্রান্ড প্রী দিয়েছিলেন।  সিনেমার নাম - OLDBOY (২০০৩)

পার্ক এর রিভেঞ্জ ট্রিলজির সেকেন্ড সিনেমা এটি। একটা আর্টিকেল এ মোস্ট গ্রূসাম এন্ড হরিফিক সিনেমার লিস্টে এই সিনেমার খোঁজ পাই। তারপর দেখতে বসি। আমার সবথেকে খারাপ লাগে এই কথাটা ভেবে যে আমি এই সিনেমাটি দেখার আগে সঞ্জয় গুপ্তর জিন্দা বলে একটি সিনেমা দেখেছিলাম। এবং তারপর আমি জীবনেও সঞ্জয় গুপ্তকে ক্ষমা করতে পারিনি, আইনও ক্ষমা করেনি। কেন জানিনা আজও আমি ইমোশনাল হয়ে যাই যখুনি এই সিনেমাটা নিয়ে কথা ওঠে। ভাষায় প্রকাশ করা খুব কঠিন হয়ে পরে। সাউথ কোরিয়ার কোনো সিনেমা আমায় এতটা অবাক করেনি যতটা এই সিনেমাটি করেছিল। একটা মাঙ্গা কমিক্স থেকে এডাপ্ট করে পার্ক এই সিনেমাটি খুব যত্ন নিয়ে বানিয়েছিলেন। চৈ-মিন-সিক সে দেশের প্রথম মেথড এক্টর হিসেবে পরিচিতি পান। নিজেকে পুরো ভেঙে দিয়েছিলেন এই একটা চরিত্রের জন্য। বুদ্ধিস্ট হয়ে জ্যান্ত অক্টোপাস খেয়েছিলেন, শেষ সিন এ ওনাকে থামাতে হয়েছিল জোর করে কারণ উনি সত্যি সত্যি নিজের জিভ কেটে দিচ্ছিলেন একটুর জন্য।

এখন স্কলাররা এই সিনেমাকে নিও-নয়ার যুগের প্রথম সিনেমা হিসেবে দেখে। শুধু তাই নয়, এই সিনেমা অনেককিছুই প্রথম করে দেখিয়েছিলো। পার্ক এই প্রথম চরিত্র বুঝে শট ডিভিশন করেছিলেন। ও-দা-সু (চৈ-মিন-সিক যে চরিত্রটি করেছিলেন) এই গল্পের মূল চরিত্র। তার যখন মন খারাপ ক্যামেরাও তখন লো অ্যাঙ্গেল এ, সে যখন আনন্দ পাচ্ছে ক্যামেরাও উঠে গেলো উপরে। সে যখন উত্তেজিত হয়ে দৌড়োচ্ছে ক্যামেরাও তখন হ্যান্ডহেল্ড লং শট এ দৌড়োচ্ছে। সে যখন কোনো খারাপ কাজ করছে ক্যামেরাও ঢুকে গেলো লং থেকে তার চোখের ম্যাক্রো শট এ, সে যখন হঠাৎ শক পেলো ক্যামেরা তখন মুভমেন্ট থামিয়ে যেভাবে যেখানে ছিল স্ট্যাটিক হয়ে গেলো। যেন ছন্দ মিলিয়ে কেউ স্ক্রিন এ কবিতা লিখছে। পৃথিবী এর আগে ইমোশনাল শট ডিভিশন দেখেনি কখনো। ছিল চিরাচরিত মার্কিন স্টাইল এর মাস্টার, ক্লোস আর ওভার দ্যা শোল্ডার এর খেলা। কিন্তু খেলা যে নিয়ম পাল্টে নিলো সেটা বোধয় সেদিন তারান্তিনোই বুঝেছিলেন। নাহলে কাঁদতেন না। অনেকদিন পর প্যারাসাইট এ দেখলাম এই নিয়মে শট নিয়েছে। সবাই আমরা নোলান কে বলি কি অসাধারণ ভাবে ১৮০ ডিগ্রির রুল ব্রেক করেছেন ইন্টারোগেশন সিন এ। ও দাদা এই সিনেমায় শুধু ১৮০ নয়, ১/থার্ড , প্যানারোমিক, ডিপার্চার, সিনেফিলিক, পোস্ট প্রোডাক্ট এসেসমেন্ট এই সব মহান রুল পার্ক চ্যাং-উক ভেঙেছেন তাও আবার ঠিক এমন জায়গায় যেখানে তথাকথিত নিয়ম মানলে আসল আবেগটাই বেরোতো না। এখনো যখুনি সিনেমাটা দেখি নতুন কিছু শিখি।

এটি একটি অ্যাকশন থ্রিলার তাই গল্প বলে দিলে নরকেও আমার স্থান হবেনা। তবে কিছু জিনিস না বললেই নয়। আমি কোনোদিন ভাবিনি কাউকে প্রতিশোধ নিতে দেখে আমার এত আনন্দ হবে, আবার সেই প্রতিশোধ বিফলে যেতে দেখেও এত কষ্ট হবে। আমি কখনো ভাবিনি কোনো বাবা আর তার মেয়ে, অথবা নিজের মায়ের পেটের দুই ভাই বোনের মধ্যে যৌনদৃশ্য দেখে আমি হ্যান্ডেল না মেরে কষ্ট পাবো। কখনো ভাবিনি একটা মানুষের একটা ঘরে এতদিন কাউকে না দেখে থাকার কষ্ট দেখে আমার পেট গোলাবে। টানা ২২ বছর কেউ শুধু মোমো খেয়ে থাকতে পারে? জানিনা।

হ্যা আমি জানি এটা ফিকশন একটা মন গড়ানো গল্প কিন্তু বিশ্বাস করুন আমি ভাবতেই পারিনা এটা একটা বানানো গল্প। সবসময় মনে হয় এটা না লেখা কোনো ইতিহাস, বই এ পড়ার বদলে আমি সামনে দেখছি। যখন রক্ত বেরোয় কারোর শরীর থেকে সেই রক্তটা খুব চোখে লাগে মোনালিসার মতো, একদিকে হাসি একদিকে দুঃখ। ও-দা-সু যখন লম্বা এক করিডোর দিয়ে হাতে একটা হাতুড়ি নিয়ে সবাইকে মারতে মারতে এগিয়ে যায়, আপনার হাত ও আপনার অজান্তে উঠে যাবে মারার জন্য। হ্যা সিনেমাটা এতটাই ভালো, আর হ্যা সিনেমাটা এতটাই খারাপ। আপনার ভেতরে সব ঘেটে যাবে, হাগার জায়গা দিয়ে পেচ্ছাপ বেরোবে কিন্তু আপনি চোখ বন্ধ করতে পারবেন না। ঘেন্না লাগবে কিন্তু গালাগাল দিতে পারবেন না। একটা অদ্ভুত নিরপরাধ, বেআইনি, অনৈতিক রোলারকোস্টারের মধ্যে দিয়ে যেতে চাইবেন কিন্তু ডিরেক্টর আপনাকে কান ধরে মাটিতে নামিয়ে বলবে এটাই পৃথিবী, তাকে এভাবেই দেখ, কারণ যখন আমরা হাসি তখন সবাই আমাদের সাথে হাসে কিন্তু যখন আমরা কাঁদি তখন আমরা একলাই কাঁদি।

Sunday, April 5, 2020

Primer With a Primary thought

নিজেকে আঁতেল প্রমান করার জন্য নেটিজেনদের প্রিয় অস্ত্র হলো এই সিনেমাটি। কারণ আজ অবধি কেউ বলতে পারবেনা যে সে বুঝেছে এই সিনেমায় কি ঘটছে। ইউটিউবে এন্ডিং এক্সপ্লেইনড বলে সার্চ করলে যে ভিডিও গুলো আসে তার সবগুলোতে এক্সপ্লানেশন আলাদা আলাদা। তাহলেই বুঝুন। আমি বুঝিনি, ইনফ্যাক্ট বোঝার চেষ্টাই করিনি। ডিরেক্টর শেন কারুথ নিজে বলেছেন যে এই সিনেমার মানেটা কবিতার মতো, যত জোর খাটাবেন তত দূরে চলে যাবে, ছেড়ে দিন একদিন ঠিক আসবে। সিনেমার নাম Primer - ২০০৪

গল্প নিয়ে আমি যা খুশি তাই বলতে পারি কারণ যাই বলি না কেন সেটা কোনোভাবেই স্পয়লার হবেনা। আমার এত ক্ষমতাই নেই স্পয়লার দেওয়ার। তবে গল্প নিয়ে পরে আসছি আগে বলি এই সিনেমাটা আমার ফেভারিট কেন। পোক ব্যাক বানানোর পরে যখন ডিপ্রেশন এ ছিলাম তখন নিজেকে অনেককিছু করে নরমাল করার চেষ্টা করছিলাম। তখন ঠিক করলাম যে নিজের একটা genre ঠিক করতে হবে। চারদিকে খাবি খেয়ে কোনো লাভ নেই। আমি যেটা পারি বা মন থেকে আসে সেটাই বানাতে হবে। যা পাবো তা বানাবো না। থ্রিলার নিয়ে ভাবলাম অনেক, দেখলাম সম্ভব নয়, ওটা আমার জন্য নয়, ফ্যামিলি ড্রামা আমি মন থেকে ঘেন্না করি তাই ওটাও সম্ভব নয়। ঠিক এরম চোদনামার্কা সময়ে একটা আর্টিকেল এ এই সিনেমাটার খোঁজ পাই এবং দেখি, মানে শুধুই দেখি আর কিছু না। আবার দেখি, ৫বার দেখি, বারবার দেখি, গাজা টেনে দেখি, মদ খেয়ে দেখি, মাঝরাতে ঘুম থেকে উঠে দেখি, পরপর দুবার টানা দেখি, যতবার দেখা সম্ভব হয় দেখি কিন্তু না কিচ্ছু বুঝিনা কিন্তু সাইন্স ফিক্শন এই genre এর প্রেমে পরে যাই। এবং মনে মনে ঠিক করে নি যে যতদিন এরম একটা আইডিয়া না আসবে আমি বড় পর্দায় ফীচার ফিল্ম বানাবো না। তার আগে সব করবো কিন্তু ফীচার না। তারপর KFTI এর দৌলতে একটা ডকুমেন্টারী বানাই এই বিষয়ে আর এই সংকল্প আরো দৃঢ় হয়।

এই সিনেমাটি আমার জীবনের দিক নির্ণয় করে আর ডিরেক্টর এবং ফিল্মমেকার এর তফাৎ টা বোঝায়। শেন কারুথ এই সিনেমাটির স্ক্রিপ্ট লিখেছেন, ডিরেক্ট করেছেন, অভিনয় করেছেন, ক্যামেরা করেছেন, এডিট করেছেন, মিউসিক দিয়েছেন লাইক এ সত্যিকারের ফিল্মমেকার। এই সিনেমাটা দেখার আগে আমি হয়তো ডিরেক্টর ছিলাম, কিন্তু এখন ফিল্ম মেকার হিসেবে নিজেকে পরিচয় দি শুধু এই সিনেমার প্রভাবে। প্রসঙ্গত লো বাজেট এর বাবা ছিল এই ফিল্মটি। মাত্র ৭০০০ ডলার। ঠিক পড়লেন এমাউন্ট টা। যে টাকায় এখন একজন পার্শ্বচরিত্র ও পাওয়া যাবেনা সেই টাকায়।

শেন কারুথ নিজে অংকের লোক ছিলেন তাই দর্শকের সুবিদার্থে গল্পটিকে উনি সাধারণের বোধগম্য ইচ্ছে করেই করেননি। ওনার বক্তব্য ছিল লোকে ১০০ বছর পরেও যেন সিনেমাটি নিয়ে আলোচনা করে। কলেজ শেষে ডিগ্রী নিয়ে বেরিয়ে চাকরি করার বদলে এই গল্পটি লেখেন। এরপর উনি আর একটি সিনেমাই বানিয়েছেন আপস্ট্রিম কালার বলে। নিজের পছন্দের অভিনেতা ডেভিড সুলিভ্যানকে কাস্ট করেন দুটো সিনেমাতেই। বাড়ির ফেলে দেওয়া জিনিসপত্র নিয়ে সেট আর প্রপ্স বানিয়েছিলেন। দাদুর বাড়ির গ্যারেজে শুট করেছিলেন। গোটা সিনেমা ন্যাচারাল লাইট এ করা। একটাই কস্টিউম সেট। গল্প অনুযায়ী দুজনের শরীর খারাপ হবে তাই খাওয়াদাওয়া বন্ধ ছিল দুজনের টানা ৯ দিন। শুধু ফলের রস। যাতে মেকআপ এর খরচ বাঁচানো যায়।

ডেভিড সুলিভান মাঝে মাঝে সেট এ হাইপার হয়ে যেতেন কিভাবে অভিনয়টা করবেন বুঝতে না পেরে। কথিত আছে একদিন শুট বন্ধ রেখে শেন কারুথ গোটা টীম কে অংক করিয়েছিলেন শুধু ওনার আইডিয়া বোঝানোর জন্য, যে অঙ্কগুলো সিনেমায় থিওরি প্রমান করতে সত্যি সত্যি ব্যবহার করেছিলেন। গল্পটি টাইম ট্রাভেল নিয়ে, সম্ভবত পৃথিবীর জটিলতম তত্ত্বের মধ্যে একটি। এখানে গল্পের দুই সায়েন্টিস্ট একটি টাইম ট্রাভেল মেশিন তৈরী করে যা আপনাকে ঠিক ততটাই ভবিষ্যৎ এ নিয়ে যাবে যতটা আপনি ভবিষ্যৎ এ গিয়ে আবার টাইম ট্রাভেল করে অতীতে ফিরতে পারবেন। যেখানেই যান না কেন আপনাকে মেশিনের মধ্যে ঠিক ততটাই সময় থাকতে হবে যতটা সময় আপনি এগোতে বা পেছোতে চান।  আর একটাই নিয়ম আছে - আপনি কখনোই নিজের doppleganger এর সাথে দেখা করতে পারবেন না। আপনাকে হোটেল এ লুকিয়ে থাকতে হবে ততক্ষন যতক্ষণ আসল লোকগুলো ঘুরে বেড়াচ্ছে আর শেয়ার মার্কেট এর পয়েন্ট নোট করছে, তারপর সেই পয়েন্ট নিয়ে আপনি অতীতে ফিরলেন আর বর্তমানে সেটা ব্যবহার করে বড়লোক হলেন।  খুব সোজা তাইতো ? এইতো কিসুন্দর বুঝে গেলেন গোটাটা। বাল বুঝলেন! যান সিনেমাটা দেখুন, সোজা জিনিস দেখে দেখে মাথাটাও সোজা হয়ে গেছে আপনাদের, একটু কঠিন ভাবে ভাবুন। এটা আমার কথা না, স্টিফেন হকিং সিনেমাটি দেখে এই কথাটাই বলেছিলেন। প্রসঙ্গত এটা ওনারও ফেভারিট সিনেমা ছিল।  

Saturday, April 4, 2020

Man from the earth revisited

কয়েক বছর আগে নাটকের দল খুলবো বলে খেপে উঠেছিলাম। সারাদিন মাথায় সেটাই ঘুরতো। এমন চূড়ান্ত আকাঠ ক্রিয়েটিভ সময়ে এই সিনেমাটি দেখা। এবং সাথে সাথে গল্পটিকে নাটকে রূপান্তর করে বসে থাকা। অনেক কারণে দলটি খোলা সম্ভব হয়নি কিন্তু স্ক্রিপ্টটা এখনো আছে আর যেদিন দল খুলবো প্রথম এই গল্পটাই করবো। অবশ্য পরে জেনেছিলাম যে গল্পটা নিয়ে নাটক অলরেডি হয়ে গেছে কিন্তু তাও আমি করবো।  সিনেমার নাম - The Man From The Earth (২০০৭).

প্রথমত এই সিনেমাটি অনেকগুলো কন্সপিরেসি থিওরী থেকে জন্ম হয়েছে। জেরোম বিক্সবি ৫২ বছর ধরে নিজের জীবনের অভিজ্ঞতা দিয়ে ধীরে ধীরে স্ক্রিপ্টটি লিখেছিলেন এবং এটা শেষ করেই তিনি পটল তোলেন। তারপর ৯ বছর লাগে রিচার্ড শেঙ্কমেন এর এই সিনেমাটি বানাতে। শুরুতে অভিনয় এর জন্য কাউকে পাওয়া যায়নি। নরমাল ব্যাপার এরম আজগুবি গল্পে কেউ রাজি হবেনা কাজ করতে। কিন্তু ধীরে ধীরে টনি টড আর  ডেভিড লি স্মিথ গল্পটির পোটেনশিয়াল বোঝেন এবং নামমাত্র পারিশ্রমিকে কাজটি করেন। ভাগ্গিস করেছিলেন নয়তো আমি হয়তো কোনোদিন জানতে পারতাম না যে একটা ঘরের মধ্যে বসে একটা গোটা সিনেমা নামিয়ে দেওয়া যায় তাও আবার সাই-ফাই। হ্যা ঠিক পড়লেন এটা একটা সাই-ফাই এবং তাও ড্রামা আর ওয়ান রুম স্টোরি। কি বিপুল পরিমানে পড়াশুনা করলে কারোর মাথা থেকে এরম আইডিয়া বেরোতে পারে।

সিনেমার গল্প নিয়ে কিছু বলা মানেই স্পয়লার দেওয়া তাই গল্প বলে মেজাজ নষ্ট করবো না। নিজেরা দেখে নিন বুঝে যাবেন আমি এত ভাটাচ্ছি কেন। শুধু এতটুকু বলতে পারি যে যা দেখবেন তা একফোঁটাও বিশ্বাস হবেনা কিন্তু আপনি ফালতু জিনিস বলে ফেলেও দিতে পারবেন না। যদি মানবসভ্যতার ইতিহাস সম্পর্কে আপনার একটুও জ্ঞান থাকে তবে আপনি কিছুক্ষন পর টিভি ভেঙেও দিতে পারেন রাগের চোটে। মুখ দিয়ে গালিগালাজ ও বেরোতে পারে ফ্রাস্ট্রেশনে।

টাকার অভাবে একটা সাধারণ DX camcorder আর সিঙ্ক সাউন্ড এ সিনেমাটি তৈরী। প্রপ্স আর সেট এর টাকা ছিলোনা বলে গল্পের প্রেখ্যাপট এমন ভাবে করা যাতে বেশি জিনিসের প্রয়োজন না হয় (মূল চরিত্র সেদিন বাড়িটা ছেড়ে দিচ্ছে তাই ঘর ফাঁকা), কস্টিউম সবার নিজের নিজের আর গল্পটা এক দিনের তাই সবার একটাই কস্টিউম। কথিত আছে সবাই নিজের নিজের খাবার নিজেরা নিয়ে আসত সাথে করে কারণ খাওয়ার টাকা ছিলোনা। আর আমরা সেট এ ঠিক টাইম এ খাওয়ার না পেলে শুট বন্ধ করে বসে থাকি। নেসেসিটি ইস দা মাদার অফ ইনভেনশন। যখনি যে জিনিসের অভাব হয়েছে সবাই মিলে সেই অভাবকেই কাজে লাগিয়েছে গল্পের খাতিরে।

আজ এতদিন পর যখুনি আমি ভাবি যে কি করছি কেন করছি করে কোনো লাভ হবে কিনা তখুনি একবার এই সিনেমাটা দেখে নি আর নিজের মনেই হাসি। আমরা এখন চিৎকার করি এটা নেই ওটা নেই, ওই জিনিস ছাড়া শুট করবো কিকরে। আসলে আমাদের কাছে লড়াই করার মতো কোনো আইডিয়াই নেই, আছে শুধু যে করে হোক একটা সিনেমা বানিয়ে ফেমাস হওয়ার চেষ্টা, আমরা এখন ভুলে গেছি যে সিনেমাও একটা শিল্পমাধ্যম বাকি অন্য শিল্পের মতোই। আর সব শিল্পের আসল ভিত্তি কিন্তু একটা ছোট্ট আইডিয়া, তাই শুধু আইডিয়া আর কনটেন্ট যদি ঠিক থাকে পৃথিবীর কেউ আপনাকে আপনার গল্প বলা থেকে আটকাতে পারবেনা, যাই হোক না কেন।

A day with Closed Curtain

কলেজের টাইমে কলকাতা ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে দেখেছিলাম সিনেমাটা। যথারীতি মাথার ওপর দিয়ে গেছিলো। আজ কেন জানিনা খুব প্রাসঙ্গিক লাগছে। সিনেমাটির নাম "Closed Curtain".
ইরানিয়ান পরিচালকদের মধ্যে আসগার ফারহাদির পর আমি জাফর পানাহি আর কাম্বুজিয়া পাত্ৰভিকে রাখি। এই ডকুফিকশনটি আমাদের সমাজের কোন মানসিকতার পরিচয় দেয় জানিনা কিন্তু কিছু বিশেষ চরিত্রের মানুষের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে তা নিশ্চিত করে বলতে পারি। সিনেমাটি বানানো হয়েছিল এরম এক সময়ে যখন সেই দেশে সিনেমা বানানোটা পাপ হিসেবে ধরা হতো (এখনো কিছুটা হয় ) ।
২০১১ সালে "This is not a film" বানানোর পর পরিচালক জেল খেটে , ব্যান হয়ে আর থাকতে না পেরে কাস্পিয়ানের তীরে বসে নিজের জেঠুর ফেলে দেওয়া ফ্ল্যাটে লুকিয়ে লুকিয়ে ৩ জন ক্রিউ আর ৭ জন অভিনেতা আর একটি মিষ্টি কুকুর (প্রসঙ্গত তখন ইরানে কুকুর পোষাও অবৈধ ছিল) নিয়ে সিনেমাটি বানিয়েছিলেন। তারপর আবার জেল ও খেটেছিলেন সেই কারণে।
সাহিত্যিকের যেমন কলম হয় পরিচালকদের সেরম হয় ক্যামেরা। এই সিনেমাটি আমায় সেটা শিখিয়েছিলো। এই গল্পে ক্যামেরা, ক্যামেরাম্যান, সাউন্ডের লোক সবাই একটা চরিত্র। পরিচালক নিজেও একটা চরিত্র। একটা কথা বলতে খুব ইচ্ছে করছে যদিও সেটা spolier কিন্তু না বলে থাকতে পারছিনা। এই সিনেমায় এই সিনেমার গল্পটাই scriptwriter নিজে লিখছে সেই বাড়িতে লুকিয়ে থেকে আর সেটাই শুট হচ্ছে আমাদের সামনে , যেন আমরা সবাই মিলে একটা শুটিং করছি। রিয়ালিটি আর এবসার্ড কোথায় গিয়ে এক হয়ে গেছে ধরতে পারবেন না মাইরি। গল্প এমন কিছুই নয়, আমাদের পাঁচুদাও এর থেকে ভালো গল্প লেখে কিন্তু যে দেশে গল্প লেখাটাই অন্যায় সেই দেশে কেউ সাহস করে গল্প লিখছে তাও আবার রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে এই সাহসটাই যেন আমাদের ভেতরে একটা আগুন জ্বালায়।
আমার চেনা অনেকেরই সিনেমাটি ভালো লাগেনি, আমার যে বিশাল আহামরি লেগেছিলো তা নয়, কিন্তু যে পরিস্থিতিতে মানুষ নিজে বাঁচবে কিনা ঠিক নেই সেই অবস্থায় যে শিল্পই মানুষকে বাঁচতে শেখায় তার নিদর্শন এই সিনেমাটি। শেষ কয়েক মিনিট আপনাকে একসাথে কাঁদাবে, ভাবাবে আর রাষ্ট্রের বিরুধ্যে প্রতিবাদ করতে শেখাবে। কিন্তু সেই প্রতিবাদের ভাষা হিংসে নয় - শিল্প। আর সেই কারণেই আজ এই সিনেমাটি খুব প্রাসঙ্গিক। অন্তত আমার কাছে।

Saturday, October 28, 2017

Sophia is safe now.


নতুন নতুন রূপ ধারণের ক্ষমতা থাকা সত্ত্বেও রূপবান বা রূপবতী মুন্সিরা বেড়াজাল ভেদ করে বাইরে বেরোতে পারেনা। এটার কারণ তাদের অসহায়তা বা নিয়ম ভাঙার প্রবণতা নয়। এর কারণ খুবই  জটিল এক মনস্তাত্ত্বিক রোগ, যার দরবারে বারবার আগমনী সুর বাজা সত্ত্বেও সে এক বিঘা জমিও ছাড়েনি। পুরাকাল থেকে চলে আসা এক নিম্নমনস্ক বর্ষীয়ান অনেককিছু বলার চেষ্টা করছিলেন তার বংশধরদের। কে শোনে কার কথা! আজকাল কথার থেকে কথকতার দাম বেশি।
রোগ, ভোগ আর যোগ এক হলে রোগীর আত্মীয়দের বিয়োগ হয়। সত্য কথা, তবুও ছোট থেকে বড় হওয়ার মধ্যে রোবট শব্দটি খুব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল।নিজের মনের ভেতরে রুইমাছ, নিউরোন, জাইলেম-ফ্লোয়েম এর ভিড়ের মধ্যে কখনো কখনো একটি রোবটের প্রতিমূর্তিও আঁকা ছিল। সেটা নেহাতই ছেলেমানুষি, কিন্তু ছেলে যে আজ মানুষ হয়েছে - তার বেলা?
কারদাশেভ স্কেল অনুযায়ী আমরা লেভেল ১ থেকে লেভেল ২ এর সিভিলাইজেশন হলাম। এরপর আরো অনেক লেভেল পেরোনো বাকি। ছোটবেলায় দেখা ভবিষ্যৎ এর স্বপ্নগুলো খানিকটা এরম ই  ছিল। আশা করছি মৃত্যুর আগে একটা ডাইসন স্ফীয়ার দেখতে পাবো। সোফিয়া, উইল স্মিথ এর কেউ হয়না, স্পিলবার্গ তো চেনেওনা বোধহয়, কিন্তু বিশ্ব(বাংলা নয়)বাসি আজ সন্মান দিলো আবার নিজেরই এক সৃষ্টিকে। ভালো লাগলো। ভবিষ্যৎ এত তাড়াতাড়ি চলে আসবে ভাবিনি। জয় বাংলা!

Tuesday, May 2, 2017

My Docu-Feature



There is a small problem in our head since our childhood that whatever the first world folks are doing is right. This is not always true but harshly it is true sometimes. We just ignore them or praise them like a self esteemed GOD. However Cinema is Universal. Thank GOD for that. But in the video i criticize and revolutionize the various aspects of Cinema through the eyes of mine.  

Thursday, March 23, 2017

India In A Day


INDIA IN A DAY

A Parallel Idea

     This geek talk is about the latest google initiative, a full length feature film by Indians. Its the first ever Crowd sourced film in India, and possibly first ever in the world. I can't imagine how difficult the job was. Like seriously the footage of this film has to be like 500 TB or more. I appreciate the hard work of google, Ridley Scott, Anurag Kashyap and Richie Mehta. And sincerely i am literally spellbound after watching the film. 
     There is no specific story line or plot. This is rather a Docu-feature kinda film. The typical Indian day. From the midnight to the end of the day. Every part of India had contributed at least a piece of video. I really forgot how versatile is my country, and the immense number of people showing their feelings made my day. It was a joyful and peaceful ride through my own country.  

Saturday, March 18, 2017

Films, Anyone Should Watch Before Filmmaking

Films From 1995-2005 That Will Help You Understand The First Part of Film making- THE STORY.

   Cinema has its perks to take control of our emotion.Today's filmmakers constantly trying to provoke our thoughts and intelligence during a film. Cinema is not just a source of infinite entertainment, its a infinite source of knowledge also. Great filmmakers inspires us to be like them. We often feel so much power in a single movie that it changes our life's purpose. To me the number of this kinda films are huge. I will try to give a subtle list of films which will include the various aspects of film making

1. Oldboy (2003)
 

Oldboy is a highly acclaimed and critically acknowledged Korean movie directecd by Park Chan-wook. This is a mystery/crime thriller inspired by Japanese Manga. Oldboy follows a revenge story in a very brutal, sexual and raw manner. The story is not for all, cause its kinda disturbing to some people's eyes. But a filmmaker should watch this film many time during self preparation, because oldboy teach us the perfect use of melodramatic acting and method acting. And lensing is a big factor to tell a story. In which scene which character will stand where and the main thing which lens should you use to deliver a proper dialogue or action? Oldboy will give you your answers promptly.

2Amélie (2001)

 

This is a french film directed by eminent director Jean-Pierre Jeunet . This film is very simple but very much thought provoking. This state of the art romantic comedy tells a beautiful story of a beautiful girl in a very sweet and delicious way. Cinematography and story telling gave this piece a boost to flourish the cinematic moments.The perfect balance of jump cut and match cut flows like water in a river. An aspiring Filmmaker can gain knowledge of how to tell a story by watching this film. You should learn widely about color toning, color harmony, contrast, plot, sub-plot, cinematography, BGM and editing from this masterpiece. 

3. The Color of Paradise (1999)
 

An flawless saga of a blind boy. Persian in language, directed by honorable filmmaker of Iran, Majid Majidi. The context of this film is the simplest of all. A very natural Drama/Family plot lines. This film is highly acclaimed for its smart way to tell the story. In fact the feeling is like you know what is going on or what will go on in the next scene, but you cant unseen what you see. This film is a must watch for the use of light while giving a dialogue or how environmental ambiance can help to tell the simplest story of all.

4Life Is Beautiful (La Vita è bella) (1997)
 

This epic masterpiece acted and directed by famous Italian, Roberto Benigni. And he got oscars for both after this film. Which is totally dignified. This Drama film contains a large number of social messages and the true sufferings of Jewish people during the world war. But despite of the main concept this film is a dramatic comedy with a lots and lots and lots of humor and feel good moments. This film teaches us that its not necessary to tell a serious story in a serious manner. We can entertain our audience and educate them simultaneously. Sometime Smiling out of a problem is the best. If you want to learn how to tell your story simply and beautifully, this is the film you must watch.


5. The White Balloon (1995)
 

A Drama Film directed by Jafar Panahi, an Iranian rebel filmmaker. Along with Abbas Kiarostami, who wrote the screenplay. This Film is purely based on Iranian culture and human behavior. For this most of they called it a behavioral text. This Film can be a big help in Screenwriting, plot mapping, sub-plot hunting and many more. 


Sit down and watch this 5 film back to back, i give you my word that you will feel the hangover of it days after days. And fundamentally it will help you understanding the 1st part of filmmaking, which is THE STORY. 

These five are generated by my personal interest only. Time period is 1995 to 2005. The middle age of our generation.