Showing posts with label poem. Show all posts
Showing posts with label poem. Show all posts

Friday, March 17, 2017

সাইক্লোন ২


সময়ের অবসন্ন সিঁড়িতে বসে
আমার মন আজ কুলি চায়।
মেশিনের ভিড়ে আমি একলা বসে-
সবাই ধাক্কা মারছে, গালি দিচ্ছে, খুবলে নিচ্ছে, ফেলে দিচ্ছে।
আমার একটি লাল গোলাপ।
Add life to days, no days to life.
তাও আমার চিতা আমায় ডাকছে-
কাঁদছে জোরে জোরে, চিল্লাছে, পুরো শরীর ছেড়ে দিয়ে
বিসন্ন দৃষ্টিতে আমায় খুঁজছে।
আমি আড়ালে পালিয়ে বেড়াচ্ছি।
কেউ আমায় আশ্রয় দিচ্ছেনা।
কেননা আমার শরীর বিকৃত,
আমার স্বর চিৎকৃত, কেননা
আজ সাইক্লোন।

বিদ্যাসাগরের সভ্য অসভ্যের সীমানা পেরিয়ে,
দুদেশের no man's land - এ আজ দাঁড়িয়ে
আমি চাষ করছি গোলাপ ফুলের।
সভ্যতা আমি মানিনা।
জানিনা কিসে কি হয়।
তবুও আমি ভালোবাসি তোমায়।
মন থেকে, না গোপনাঙ্গের সাড়ায় না,
লাল গোলাপের ইশারায়।
তাই আমি আজ একা।
কারণ, আজ সাইক্লোন। 

Thursday, March 16, 2017

সাইক্লোন


কালো রাস্তায় মেঘ জমেছে,
ধোঁয়া উঠে যাচ্ছে উপরে আমার রক্ত দিয়ে-
তার নিচে একা এক ফোয়ারা,
জ্বলন্ত লাভার আগুনে ফুল ফুটছে-
তোমার চোখ আমার স্বাদেন্দ্রিয়কে জাগ্রত করছে-
এটা কি হচ্ছে?
আমি কি পাগল হলেম?
ধোঁয়ায় কি আজ আমার জীবন কুয়াশাছন্ন?
জীবনের লালা গড়িয়ে পড়ছে
গোপনাঙ্গ দিয়ে।
আমি মুছে যাচ্ছি অনবরত,
বইয়ের পাতায় পড়লো সেই লার্ভা-
কালো অক্ষরগুলো হলো নীল ;
আমার ক্ষুধাতুর বাসনায়,
জেগে থাকা কামনায়,
আজ সাইক্লোন।

কীসের এত মোহ, কীসের এত পরিক্রমা?
সাইকেলের চাকায় হাওয়া দিয়ে যায় আমার মানিব্যাগ ;
তার নীচে উত্তঙ্গ হিমালয় পর্বতমালা,
তাতে জেগে উঠেছে কাঞ্চনজঙ্ঘা-
এভারেস্ট কে ছোঁয়ার আশায়।
কিন্তু মারিয়ানা খাতের স্বর্গ থেকে
আজ ধোঁয়া উঠছে-
হচ্ছে সুনামি, হচ্ছে ভূমিকম্প,
নেমেছে ধস, পড়ছে রস, পড়ছে লালা, পড়ছে শিশু।
আজ জীবনের শেষতম নির্বাসনে
আমার মুখের ভাষা বিলম্বিত।
তাই আজ সাইক্লোন।

Sunday, March 12, 2017

আসক্তি


আমার প্রথম চুম্বন;
সেই সাদা লম্বা আসক্তিটিকে।
প্রথম অনুভব, প্রথম বুলডোজার চলে
আমার বুকে, আমার বুদ্ধাঙ্গ ঘুরেছিল।
কিন্তু তাও আমি ছাড়িনি তাকে,
মুখ তখন কুয়াশায় ভর্তি।
সেই কুয়াশা ভেদ করে ঝড় উঠছে বারবার-
তাও আমি তাকে ছাড়িনি।
চাইনি ঝড়ে এ কুয়াশা হারিয়ে যাক,
তাই আজও তাকে চুম্বন করি অনবরত-
আসক্তির আশায়।

Thursday, March 9, 2017

একসময়


একসময় স্বাধীন ছিলো মানুষ,
বেঁচে থাকতো কঠিন পরিবেশে।
একসময় নরম ছিল মানুষ,
বেঁচে থাকতো আবার ফিরে এসে।

একসময় প্রবল ছিলাম আমরা,
ঝড় ঝঞ্ঝা ভয়ে যেত সরে,
একসময় হিংস্র ছিলাম আমরা,
আশেপাশের সবাই যেত মরে।

নিয়ম মেনে চলতে গেলে-
পিছল রাস্তায় পিছলে গেলে-
অনেক খাবার খেয়ে নিলে-
বদহজম হয়।

রাস্তা ধরে হাটতে গেলে-
পিছন ফিরে চাইতে গেলে-
কেউ ছেড়ে চলে গেলে-
ভীষণ কষ্ট হয়।

কালসকালে উঠে দেখবো
মাঠে কেউ খেলার নেই,
আজরাতেই শুয়ে ভাববো,
জড়িয়ে কেউ ধরার নেই।
তবু আমরা বেঁচে আছি।
তবু আমরা বেঁচে থাকবো।
মানুষ বড় জিনিস গো দিদি,
আজীবন গান গাইবো।

Tuesday, March 7, 2017

উত্তাল শ্মশান


কাকে ছেড়ে যে কার হাত ধরি?
একদিকে সেই নারী,
আরেকদিকে অক্সফোর্ড ডিকশনারি।
বালিশের নিচে কাঁদে সে,
ভিজে যায় রিংটোন।
টেবিলের তলায় পাওয়া গেলো -
হারিয়ে যাওয়া টেলিফোন।

সকালবেলার কাগজের সোঁদা গন্ধ,
পুকুরপাড় ফাঁকা।
মন আমার মেতেছে আনন্দে,
তাই উপমাহীন আজ চাকা।

সুসজ্জিত শরশয্যায় শায়িত শ্মশান,
আর হেটে চলে যায় তুফানী মরুদ্যান।
দুপেয়ে জন্তুর যান্ত্রিক আচরণে
পৃথিবী আজ স্তব্ধ।
তোমার উত্তীয় দুধেলের ইশারায়
আমার শায়িত শ্মশান মুগ্ধ।
যেতে চায় সে, অনুমতি চায় প্রবেশ করার।
কিন্তু কেন টেনে ধরে আমায়
ডিকশনারির করুন কণ্ঠস্বর?

Monday, March 6, 2017

Fake Promises

Its not sexy to talk butter to me.
I learn enough what i had to be.
Its a modern day, modern way;
something they will never say.

Follow the rules, the guidelines?
And what about my slogans, signs?
We need equity, above all bullshit.
But after ages it will still repeat.

Fuck the police, fuck the system!
This words & you will be condemned.
Equity will be nothing but a word,
if we do not unify our sword.

Talking about revolution, evolution?
All i see just the horrify caution.
This is not the human race we learned.
One by one all of us is getting burned.

Utopia is not the salvation of life,
nor a calculated move of knife.
What we did, makes us guilty.
What we do. lets not count fit.

After-all there is an alternate
universe where we already did it.


Tuesday, February 28, 2017

বিপদে অস্তিত্ব


আলুর খোসায় একটা কালো দাগ,
পোকার অস্তিত্ব প্রমান করে,
ভালোলাগা কোনো সিনেমার-
চেনা দৃশ্যের মতো রাত জেগে মাছ ভাজি আমি,
একদা শিথিল কিন্তু নষ্ট মনের ভেতরে এক জীবন্ত লার্ভা-
উন্মাদ প্রেমের মতো।

একরাত জাগে, দুই রাত জাগে,
জেগে জেগে ঘুমিয়ে যায় চিরটাদিন।
ভোরের স্বপ্নের মালিকানা পেতে আসর বসে মাঝরাস্তায়।
একটুকরো শহর আমার, আমারি মতো।
যেমন জুয়াতে হেরেও হারতে চায়না জুয়াড়িরা,
ঠিক তেমনই আমার শহর আমাকে ছেড়েও ছাড়েনা-
আটকে রাখে এক উন্মত্ত নেশায়।

পরিবর্তিত কলঙ্কের নতুন রূপ দেখে খুব আনন্দ করলাম,
কিন্তু আনন্দিত হতে পারলাম না।
সাইলেন্ট কিছু ডায়ালগ নরকে পাঠালো আমাকে, ভায়োলেন্ট হতে।
শুস্ক চামড়া আর সাদা চামড়ার মধ্যে কোনো পার্থক্য নেই,
যদি না গ্লিসারিন এর দামটা বেড়ে যায়।

দরজা জানলা এক হয়ে গেলে তুমি বেরোবে কোথা দিয়ে?
জানলা দিয়ে সিগারেট এর আধপোড়া ফিল্টার ফেলে দেওয়া,
আর সিগারেট নিয়ে দরজা দিয়ে ঘরে ঢোকার মধ্যে একটাই পার্থক্য-
অস্তিত্বের। 

আমি চাই


একজন মানুষের পক্ষে দুবার জন্মানোটা পাপ,
দুজন মানুষের একইদিনে একইসাথে জন্ম হলে?
তা কি পুন্য?

চল খুঁজে বের করি লাইব্রেরির আনাচে কানাচে,
বা সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইট এ,
কিংবা তেলে ভেজা বালিশের তলায়,
বা পুরোনো মোজার ভেতরে বাসা বাধা কোনো বিষাক্ত পোকার লালায়।

চল না খুঁজে দেখি রাস্তায় রাস্তায় পথের ধারে,
বা ব্রিজ এর ওপরে উঠে-
নিচে বয়ে যাওয়া নদীর দিকে থুতু ফেলতে ফেলতে,
কিংবা ধর কোনো এক সংক্চুয়ারি থেকে-
মাইগ্রেট হয়ে আসা পাখিদের কিচির মিচিরে।

নেচার নিয়ে রোমান্স করে কি লাভ,
যদি শরীর নিয়েই না রোমান্স করতে পারলাম।
একটা নারীশরীর কে ঢেকে রাখা একটুকরো-
কাপড় ও চরম খিদের সময়ে বড় বেডকভার মনে হয়,
যেন ছিঁড়ে খুবলে ফেলে দিলেই হলো।

তারপর অতৃপ্তির নেশা, নয়তো তৃপ্তি দিয়ে পেশা, কিংবা ভালোবাসা। 

Tuesday, February 21, 2017

জুতোর ফেরোমন


আমার একপাটি জুতো হারিয়ে গেছে,
কেউ কি খুঁজে দেবেনা আমায়?
কালরাত থেকে খুঁজে পাচ্ছিনা,
জানো? অনেক খুঁজেছি,
খুব আশা করেছি, যদি সেই জুতোর
নোংরা গন্ধটাও আমার নাকে আঘাত করে -
তাহলেই তো কেল্লাফতে।

সেই জুতোর ফেরোমনের আশায়
আমি শুঁকেছি বহু গন্ধ।
পাইনি খুঁজে আমার সেই জুতো।
জানো এই জুতো যাতে না হারায়
তার জন্য আমি কম খাটনি করিনি-

বাজারের সস্তা সোল কিনে জুতোর
গলায় ঝুলিয়েছিলাম। কিন্তু কি করে জানবো
তাতে যে জুতোর সৌল বদলায় না।
আমার আমিত্ব বদলায়।
হ্যাঁ আমি বদলেছি,
নতুন যৌবনের হরমোনের ধাক্কায়
আমি আমার জুতোর ফেরোমোনকে ভুলেছি -
তাই আমি আমার একপাটি জুতো হারিয়েছি। 

সাইড এফেক্ট


আমার লাইফ এর ক্যাটালগ এ জানিনা কোত্থেকে
এক সারি পাখি এসে বসলো।
তোমার সংরক্ষিত অভয়ারণ্য থেকে
আমার জংলী আমাজনে।
সম্ভবত মাইগ্রেট করে।
কিন্তু তার জন্যেও তো কারণ লাগে !

আমিনা সেই কারণ খুঁজে পাইনি,
আমার সম্ভাবনাময় জীবনের একটুকরো প্রমিথিউস।
সাদাকালো ডোরাকাটা দাগের ওপর
আমি পেস্ট করেছি পেন্ট,
এটা তো কারণ না।

আমার নোংরা ড্রেনের মশার লার্ভাগুলো -
আমাকে কুরে কুরে খেত,
বহুবার সুইপার দিয়ে পরিষ্কার করেছি।
কিন্তু কীটনাশকের ব্যর্থ প্রয়োগে,
এই জীবনে শুধুই সাইড এফেক্ট। 

চল রে


চল রে ভাই,
ঘুরে বেড়াই,
পাতা ছিঁড়ি,
পাতা খাই,
আনন্দ করি।

রাস্তার ধারের পানের দোকান।
ওখানে আছে মেয়েটা।
রেললাইনের ওপরের একদলা থুতু,
ওখানেও আছে মেয়েটা।
টিভিতে তো আছেই।
এখন নাকি মহাকাশেও দেখতে পাওয়া যায়।
কি সমস্যা মাইরি !
ঝামেলা আর কারে কয়?

চল রে ভাই
চল সবাই -
ইডেন এ খেলা দেখতে যাই,
ওখানে হয়তো মেয়েটা থাকবেনা।
-
-
-
যাঃ শালা ! মেয়েটা তো এখানেও। 

শব্দে


হৃদস্পন্দন
খুব বড় সত্যি হয়ে ধরা দেয়,
মাঝরাতে ঘুম ভাঙলে বালিশে ঠেস দিয়ে রাখা কানটা-
শুনতে পায় সেই শব্দ,
বড় তীব্র ভাবে।
অনেকটা লেজ মাড়ানো কুকুরের আর্তনাদের মতো।
স্বল্পবিস্তর চিৎকার, অল্পবিস্তর করুনা,
আর বিস্তারিত দয়া।
আমার হৃদস্পন্দনের শব্দটা এরমই।

তাই বলে আমি কুকুর নই,
আমার কক্সিস এখনো লেজ হয়নি।
আমার শ্বদন্ত এখনো ধারালো হয়নি।
আমার চোখে আগুন আসেনি এখনো।
তবুও কেন জানিনা -
মাঝরাতে ঘুম ভাঙলে আমি হঠাৎ,
কুকুর হয়ে যাই -
আমার হৃদস্পন্দনের শব্দে। 

এলকোহল


সময়ের বড় অভাবে
সময় চায় সবাই।
সময়ের হাত ধরে যে অসময় হাঁটে
এটা কেন বোঝেনা কেউ?

আমি নিজে সময় মানিনা।
আমার অবিশ্বাসের প্রতিটা কোনায় কোনায়,
অসময়ের প্রতি বিশ্বাস জমে আছে।
একইসাথে বিশ্বাস আর অবিশ্বাস কি থাকতে পারে?

এ হতে পারেনা,
আমাকে আমার সেই সময়গুলো ফিরিয়ে দাও।
যখন আমি মুক্তি চাইতাম-
বা মুক্তি চাইবার সাহসটা ছিল।
আজতো আমি নেংটা, এঁটো পানের পিক।

এ ভাই; এখানে বমি করিসনা।
আমি পরিষ্কার করতে পারবোনা।
মাসি এসব করবেনা বলে দিয়েছে -
আমার টাইম নেই -
বাথরুম এ যা -
পারিস না যখন খাস কেন?

ধর্ম

ভুরুর লোমে ঘাম জমেছে,
খুঁটে খুঁটে চামড়া তুলছি-
হাতে ঘাম লেগে যাচ্ছে,
মাথা চুলকোচ্ছি।
হাতে ঘাম লেগে যাচ্ছে,
পিঠের ফুসকুঁড়িতে হাত বোলাচ্ছি।
হাতে ঘাম লেগে যাচ্ছে -

আর কোথাও হাত দেবোনা।
হাতটা মুঠো করে চেপে রাখলাম,
কিছুক্ষন পর হাত খুললাম,
দেখি হাতে ঘাম লেগে আছে।

লোমকূপ ছাড়াও যেমন ঘাম হয়,
স্বপ্ন ছাড়াও তেমন বেহিসেবি হয় মানুষ।
ধর্ম কি ক্ষমা করবেনা আমায়?

Monday, February 20, 2017

বিচি মাথায়


লাল নগর, লাল সভ্যতা...
চির রুগ্ন পরিষ্কারের আড়ালে এক বীভৎস লুডো খেলা,
চাইনা এসব এর পাল্লায় পরে জীবনের অমূল্য সময় নষ্ট করতে,
চাইনা বেঁচে থাকতে সেসব কথা ভাবতে,
যা ভাবলে আমায় রাতে বিনা কারণে মশা কামরায়।
চেয়েচিন্তে পাওয়া বিজ্ঞানই সভ্যতা নয়, অসভ্যতা।
উপনিষদ আর উপনিবেশ তৈরী করতে,
সময় আর ঘাম বোধহয় একই খরচা হয়েছিল,
তাও বলছি - নরমাংস কাটা হয়তো বা সহজ,
না জেনে কাটা কিন্তু আরো সহজ,
তাই নেক্সট টাইম কিসের মাংস খাচ্ছেন সেটা দেখে খাবেন,
হতেও তো পারে আপনার মরা কোনো আত্মীয় কে কেটে-
রান্না করে দারুন করে সাজিয়ে দেওয়া হয়েছে আপনার নুডলস এ।
চিন্তা করবেন না - আপনি একলা নন এই যুদ্ধে,
আরো অনেক গাঁজাখোর বানচোদ আপনার প্রেমের সাক্ষী হবে...
ততক্ষন প্লিজ ওয়েট করুন - আগামী ভোট এর। 

লিমিটলেস


এলেম নতুন দেশ এ,
গাঁড় টা সেখানেই মারা গেলো।
ভেবেছিলাম হয়ে যাবো যাযাবর,
যত সব আদিখ্যেতা।
নষ্ট নীড় এ কষ্ট কম হয় !
কোন বালটা বলেছে বে ?
প্রাইভেসী প্রাইভেসী প্রাইভেসী।
মা চুদে গেলো।
আমাকে আমার মতো থাকতে দাও।
গানটা আর কেউ শোনেনা।
আমি শুনি, মাইরি বলছি !
সব সম্পর্ক বিছানায় গিয়ে শেষ হয় !
ভুল কথা !
কিছু সম্পর্ক বিছানার জন্যেও শেষ হয় !
গাঁড় মারি !
পৃথিবীতে সম্পর্কের অভাব নেই !

চুল ও নারী


একটা ছেলে ধুকধুক করতে করতে এগিয়ে গেলো ;
মাঠ পেরোল , ছন্দ হারাল।
রোগা গা তার ,
পেটরোগা না।
চুলগুলো খুব রোগা আর পাতলা ;
দেখলে মনে হবে কেবল বসে থাকার জন্য বসে আছে।
ছুটি দিলেই পালিয়ে যাবে এক্ষুনি ,
কিন্তু ছুটির ঘন্টা বাজে কই?

এমনই কিছু ছন্নছাড়া প্রশ্ন চেপে বসে ছেলেটার মনে ;
মুখ ঠুকরে , বুক উগরে প্রশ্ন করে -
তুমি কি সত্যিই এরম মা?
অন্য ভাবে ভাবোনি না আমায়?
শুধুই ছেলে আমি? একটা চুল মাত্র?
মা বলে একদিন আমি বড় হবো ,
কিন্তু আমার চুল কি বড় হবে?

...

হতে হতে যেমন হয়না , তেমনি বলবোনা বলবোনা করেও -
বলে দিলাম একদিন আমার প্রেমিকাকে।
হাসিমুখে জিজ্ঞাসা করলাম , তোর মায়ের চুল কিরম?
হাসতে হাসতে আহ্লাদী গলায় বললো - "আমারি মতন , কেন?"
প্রেমিকার মুখে মুখ লুকোতে লুকোতে মনে পড়লো হঠাৎ -
মায়ের কলেজ লাইফের কোমর অবধি ঝোলানো চুলসহ একটা ছবি ,
সেই ছবিতে আমি নেই শুধু , অন্য সব এক।
কি জানি হয়তো ছিলাম সেই চুলের মধ্যে।
আজ প্রেমিকার চুলের ভেতরে সেই অন্ধকার দেখি -
আলাদা কিছু না। 

Sunday, February 19, 2017

গ্রন্থি


লড়াই শেষ
যুদ্ধ শুরু
সামনে মেষ
চলো গুরু
হাত বোলাই
নেই উরু
খাবো চোলাই
হবো মরু
চলা শেষ
করবো শুরু

মিল থেকে অমিল হতে যতটা সময় লাগে -
তার থেকে একটু বেশি সময় ছিল আমার সাথে।
গল্প করে পার করে দিতে পারি সমস্ত পথ।
কেউ একজন বলেছিলেন যত মত তত পথ।
কিন্তু এটা কেন বলেনি যে মত কতগুলো?
আর সব মতের জন্য কি পথ রয়েছে?
কোনো কোনো মত তো পথের পরোয়া করেনা,
গলিতেও ঢুকে পরে।
যে গলিতে একবার ঢুকলে বেরোনো যায় না,
সেখানে মত কোথায় যাবে? 

চাইছি


আমার অসহায়তা উপলব্ধি করে,
আমারি এক বন্ধু এগিয়ে আসে আমার সাহায্যে-
চিরাচরিত পন্থা অবলম্বন করে।
আমি ডাক পাঠাই তাকে -
"কেন করেছিলি রে? কে বলেছিলো করতে?"
দেখতে দেখতে অনেকগুলো যুগ পেরিয়ে গেলো।
তবু প্রশ্নটা একই থেকে গেলো;
কালজয়ী হওয়ার ক্ষমতা আমার নেই,
পারবোনা আমি জয় করতে কিছু।
তবু কিছু কিছু মুহূর্তের অশালীন সাবধানতায়
আমি খুঁজছি তোমায়, ফিরছি বিবর হয়ে;
আমি চাইছি তোমার স্থাবর সম্পত্তি
চিরদিনের তরে। আমি চাইছি। 

Saturday, February 18, 2017

খোলো


জামার কলারে টান পড়লে ভাবি-
ভ্রাম্যমান হয়েছি।
ছিন্নবিচ্ছিন্ন প্রশ্ন কোনো একটা মাথায় আসে,
উত্তর খুঁজতে জামা খুলতে হয়।
জামা খুলে শেওলা পড়া গায়ে দেখি;
একটা নগ্ন পৃথিবী।
সব জীবজন্তু ও জানোয়াররা একসাথে বাস করে,
চিন্তান্বিত মুখ নিয়ে -
চিৎকার করি আমি কঠোর রূপকথায়।
কঠিন বাস্তবতায় সেই শেওলাই আমায় বাঁচিয়ে দেয় -
জামা খোলা থেকে।